নয়াদিল্লি, ১৯ মে। কুলভূষণের ফাঁসি আটকাতে পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক আদালতে টেনে নিয়ে গিয়েছে মোদী সরকার। কিন্তু সরবজিৎকে বাঁচানোর চেষ্টা করেনি তৎকালীন ইউপিএ সরকার। পাকিস্তানে জেলে প্রাণ হয়েছিল তাঁকে। সেই সরবজিতের দিদি দলবীর কৌরের আক্ষেপ, ইউপিএ সরকারও ‌যদি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতো আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হত, তাহলে ভাইটাকে বাঁচাতে পারতাম। ( পড়ুন- মোদীর ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে’ বিশ্বের সামনে বেইজ্জত পাকিস্তান)

Indian Express -কে দলবীর বলেছেন,” একই পদ্ধতিতে ‌যদি আমার ভাইয়ের মামলাটা নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হত, তাহলে ও আমার সঙ্গে থাকত।”

তিনি জানিয়েছেন,” কয়েকজন আমাকে এই আদালতের ব্যাপারে বলেছিলেন। ২০০৭-০৮ সালে আমি ইউপিএ সরকারের মন্ত্রী ও সচিবদের পাকিস্তানের জেল থেকে আমার ভাইকে ছাড়াতে ‌আন্তর্জাতিক আদালতে দ্বারস্থ হওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তাঁরা আমাকে সাহা‌য্য করেননি। উলটে আমায় পরামর্শ দেওয়া হয়, আপনি নিজেই ‌যান আন্তর্জাতিক আদালতে। সরকারের কিছু করার নেই।” (আরও পড়ুন- নীল-সাদায় পড়ে মমতার বাংলা, মুম্বইকে সত্যিই ‘লন্ডন’ করছেন ফড়ণবীস, দেখুন ভিডিও)

দলবীরের কথায়, “বলুন তো আন্তর্জাতিক আদালতে কেন আমার মতো একজন সাধারণ মহিলার কথা শুনবে? কেন্দ্রীয় সরকার আমার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার পরও চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলাম। ইউপিএ সরকার আমার কোনও কথাই কানে তোলেনি।”

নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে সরবজিতের দিদি বলেন,”মোদী সরকার দ্রুততার সঙ্গে কাজ করেছে। দেশের নাগরিককে বাঁচাতে সবরকম পদক্ষেপ করেছে। আজ টিভিতে কুলভূষণের খবরটা দেখে একটাই কথা মাথায় আসছে, ‌যদি ইউপিএ সরকারও একই পদক্ষেপ করত তাহ আজ হয়তো আমার ভাইটা পাশে থাকত।”

কলভূষণের মতো সরবজিৎ সিংকে চর সাজিয়ে ১৯৯১ সাল থেকে বন্দি করে রেখেছিল পাকিস্তান সরকার। ২০০৮ সালে তাঁকে ফাঁসির সাজাও দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের এপ্রিলে লাহোরের জেলে সহবন্দিদের মারধরে সরবজিতের মৃত্যু হয় বলে জানায় পাকিস্তান। ‌

তথ্যসূত্র- ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস