গুরুগ্রাম। হিন্দু পড়ুয়াদের জোর করে নমাজ পড়ানো এবং ধর্মান্তরিত করার অভি‌যোগ উঠল।  ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সাসপেন্ড করা হয়েছে দুই সংখ্যালঘু শিক্ষককে। আর একজনকে অন্যত্র সরানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানায় মেওয়াটের। জেলার শিক্ষা আধিকারিক নেতৃত্বে তিন সদস্যর প্যানেল ঘটনাটির তদন্ত করছে। (আরও পড়ুন- ‘জয় শ্রী রাম’ বলায় ফতোয়া বিহারের মন্ত্রীকে, চাপের মুখে চাইলেন ক্ষমা)

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনের দাবি, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মাধি গ্রামের মেওয়াট মডেল স্কুলে ২০৭ জন পড়ুয়া। মেওয়াট ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি স্কুলটি চালায়। কৌশল বশিষ্ঠ ও সাগর ভরদ্বাজ নামে দুই ছাত্রের অভিভাবকরা গত ২২ জুলাই অভি‌যোগ করেন, স্কুলের তিন শিক্ষক জোর করে তাদের সন্তানদের নমাজ পড়তে বাধ্য করেছিলেন। কম্পিউটার শিক্ষক, উর্দু শিক্ষক ও হস্টেলের ওয়ার্ডেন সন্তানদের ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ সৃষ্টি করতেন। দেখুন ভিডিও

টিচার ইনচার্জ নবীন শক্তি বলেন  ইসলামি রীতি মেনে দুই হিন্দু পড়ুয়াকে নমাজ পড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। কম্পিউটার সায়েন্স ও উর্দু শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। হস্টেল ওয়ার্ডেনকে অন্যত্র সরানো হয়েছে। স্কুলে এখন পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।