নয়াদিল্লি, ১৭ জুলাই। রাজধানীতে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছে ১৪ বছরের এক কিশোরের। তাঁর মায়ের অভি‌যোগ, ছেলের মুসলিম বন্ধুরাই খুন করেছে তাঁর ছেলেকে। নয়াদিল্লির রেলস্টেশনের কাছে গতমাসে রহস্যজনকভাবে ১৪ বছরের ‌যোগেশ কুমারের দেহ পড়েছিল। তাঁর শরীরে ছিল একাধিক আঘাতের চিহ্ন। তবে স্পর্শকাতর বিষয়ের অজুহাত দেখিয়ে পুলিশ মুখে কুলুপ এঁটেছে। অভি‌যুক্তদের এখনও ধরতে পারেনি দিল্লি পুলিশ। (আরও পড়ুন- মায়ের সঙ্গে পুজো দেওয়ার ছবি পোস্ট, সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা ছড়ানোর অভি‌যোগে অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মামলা করল কলকাতা পুলিশ)

ইন্ডিয়া টুডে-র প্রতিবেদনের দাবি, ২‌৩ জুন যোগেশের দেহ লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। চিকিৎসকরা অটোসপির পর জানান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে ‌যোগেশকে।ওই নাবালকের মা সীমার অভি‌যোগ, আমার ছেলেকে ওর মুসলিম বন্ধুরাই মেরেছে। এমনকি অপহরণ করে টাকাও দাবি করেছিল। ফোনে ছেলের আর্তনাদও শুনতে পেয়েছিলেন সীমা দেবী।(আরও পড়ুন- বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে VHP-র বিক্ষোভ, সুষমাকে চিঠি ক্ষুব্ধ মমতার)

মেইল টুডে-কে তিনি জানিয়েছেন, গত ২৩ জুনই ‌যোগেশের বন্ধু আরিফ ফোন করে ডেকে নিয়ে ‌যায়। আরিফ, ফাতিমা ও অন্যান্য বন্ধুরা ১০ হাজার টাকার দাবি করে। ফোনে হুমকি দেয়, সময়ে টাকা না দিলে আমার ছেলেকে মেরে দেবে। পরের দিন সকালে আমাকে ফোনে ওরা বলে, ছেলেকে খুন করে রেললাইনে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ‌যোগেশ কুমারের পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র। মায়ের চিকিৎসার জন্য সে এই বয়সেই কাজ করতে শুরু করে দিয়েছিল। মা লোকের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। ট্রেনের মধ্যে আসন নিয়ে বচসার জেরে জুনেইদকে গণধোলাই দিয়ে মারা হয়েছে বলে অভি‌যোগ। সেই ঘটনায় সব অভি‌যুক্তকে গ্রেফতার করেছে হরিয়ানা পুলিশ। ‌যোগেশের গরিব মাও বিচার চাইছেন।(আরও পড়ুন- বসিরহাটকাণ্ডের তদন্তে এনআইএ-র নজরে রাজ্যের অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলি)