নয়াদিল্লি, ১৬ জুলাই। বাদল অধিবেশনে সরকারকে নানা ইস্যুতে চেপে ধরতে চাইছে বিরোধীরা। বিরোধীদের মোকাবিলা করতে দুর্নীতির অভি‌যোগকে হাতিয়ার করছে সরকার পক্ষ। তার ইঙ্গিত এদিন দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কারও নাম না নিয়ে সর্বদল বৈঠকে মোদী বলেন, ”দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলিকে একজোট হতে হবে, ‌যারা প্রতিহিংসার অভি‌যোগ তুলে বাঁচার চেষ্টা করছে।” বর্তমানে দুর্নীতির চক্রব্যুহে ফেঁসে রয়েছে তৃণমূল ও আরজেডি। ফলে মোদীর খোঁচাটা ‌যে এই দুই দলের দিকেই তা স্পষ্ট। বিজেপি সূত্রে খবর, সংসদে তৃণমূলকে কোন পথে কোণটাসা করতে হবে, তা বাতলে দিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূলের সঙ্গে থাকলে ‌যে দুর্নীতিকেই প্রশয় দেওয়া, তা ইঙ্গিতে বিরোধীদের বুঝিয়ে দিলেন। (আরও পড়ুন- গত ৭ দিনে বসিরহাটে ‘বিস্তারক ‌যোজনা’য় বিজেপিতে ‌যোগ দিলেন ১০,০০০ জন)

আগামিকাল থেকে সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। তার আগে এদিন সর্বদল বৈঠক ডাকা হয়েছিল। মোদী ট্যুইটারে বলেন, ”দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইন নিজের পথে চলবে। ‌যারা দেশকে লুটেছে, তারা প্রতিহিংসার দোহাই দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছে, এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলিকে একজোট হতে হবে।” (আরও পড়ুন- চিনকে সমঝে দিতে পোখরানে শক্তিশালী হাউইৎজার কামান পরীক্ষা করল ভারত)

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,”যাতে সব রাজনীতিককেই অপরাধী না ভাবেন সাধারণ মানুষ তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।”(আরও পড়ুন- হিট লিস্ট বানিয়ে খতম করছে সেনা, গত ৭ মাসে মারা গিয়েছে ১০২ জঙ্গি)

গোরক্ষা, জিএসটি ও নানা ইস্যুতে সরকারকে চেপে ধরার কৌশল নিয়েছে বিরোধীরা। এই অবস্থায় বিরোধীদের ছত্রভঙ্গ করতে দুর্নীতি প্রসঙ্গ টেনে আনলেন নরেন্দ্র মোদী। সংসদে বিরোধীদের মধ্যে সবচেয়ে সরব তৃণমূল। মোদীর নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলই বলে মত রাজনৈতিক মহলের। নারদ ও চিটফান্ডকাণ্ডে তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ইডি ও সিবিআই। ইতিমধ্যেই জেরা করতে চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। অন্যদিকে বিহারে লালুর কন্যা মিসা ও উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী ‌যাদবের বিরুদ্ধে উঠেছে দুর্নীতির অভি‌যোগ। তদন্ত করছে সিবিআই। (আরও পড়ুন- ভারতকে এড়িয়ে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ইমাম বুখারির)