নয়ডা, ১৬ জুলাই। বুধবার নয়ডার মহাগুণ মর্ডাণ সোসাইটির বাইরে হাঙ্গামার পর থেরে এখনও গোটা এলাকা থমথমে। সেক্টর ৭৮-এর ওই সোসাইটিতে ‘বাংলাদেশি’ কাজের লোককে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সোসাইটির বাসিন্দারাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঘটনায় এখনও প‌র্যন্ত ১৩জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। (আরও পড়ুন- চিনকে সমঝে দিতে পোখরানে শক্তিশালী হাউইৎজার কামান পরীক্ষা করল ভারত)

ওই সোসাইটিকে ২,৭৫০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ৯০ শতাংশ ফ্ল্যাটই বিক্রি হয়ে গিয়েছে। অনেক ফ্ল্যাটেই বাংলাদেশি পরিচারিকা কাজ করেন। কিন্তু বুধবারের ঘটনার পর প্রত্যেকেই ভয়ে রয়েছেন। বাংলাদেশি পরিচারিকাদের আর বিশ্বাস করতে পারছেন না তাঁরা। এবার তাঁরা এজেন্সির মাধ্যমে পরিচারিকা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।(আরও পড়ুন- হিট লিস্ট বানিয়ে খতম করছে সেনা, গত ৭ মাসে মারা গিয়েছে ১০২ জঙ্গি)

এক বাসিন্দা ব্রিজেশ সিং জানান,”নিরাপত্তারক্ষীর মাধ্যমে পরিচারিকা নেওয়া হত। পুলিশের কাছে ভেরিফিকেশন করিয়ে লোক রাখা হত। এমন পরিস্থিতি ‌যে হবে তা আমরা ভাবতেও পারিনি। ‌যারা পাথর ছুড়েছে, তারা এই সোসাইটিতেই কাজ করত। এতেই বোঝা ‌যায়, আমরা কেউই নিরাপদ নই। এটা আমাদের সঙ্গেও হতে পারে।”(আরও পড়ুন- ভারতকে এড়িয়ে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ইমাম বুখারির)

বিভূতি চৌধুরী নামে আর এক বাসিন্দার কথায়, আমরা চাই প্রশাসন এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক। আমাদের সোসাইটির বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ থেকে শ্লীলতাহানির অভি‌যোগ উঠেছে।(আরও পড়ুন- ইউপিএ জমানায় মাত্র ১০ দিন ‌যুদ্ধ করার ক্ষমতা ছিল ভারতের, কীভাবে অবস্থার পরিবর্তন করলেন মোদী)

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার, জোহরা বিবি নামে এক বাংলাদেশি মহিলা ওই সোসাইটিতে পরিচারিকার কাজ করতেন। জোহরার স্বামী সাত্তারের অভি‌যোগ, তাঁর স্ত্রীকে আটকে রাখা হয়েছিল। তিনি স্ত্রীকে আনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের বাধা দেয়। এরপরই তাঁরা পাথর ছুড়তে শুরু করেন।


পাথর ছোড়ার ঘটনায় ১৩ জন অভি‌যুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।