নয়া দিল্লি, ২৯ নভেম্বর : ব্যাঙ্কে টাকার পরিমাণ কত এবং সেই টাকার উত্স কোথায় ? এবার সেই হিসেব দিতে হবে বিজেপির মন্ত্রী, বিধায়ক, সংসদদের৷ ৮ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোথায় কত লেনদেন করা হয়েছে, অর্থ সংক্রান্ত সমস্ত নথির পরিষ্কার হিসেব দিতে হবে৷ এবার এমনই নির্দশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ-র কাছে সেই হিসেব সমস্ত কিছু দলের মন্ত্রী, বিধায় সাংসদদের জমা দিতে হবে বলে দেওয়া হয়েছে নির্দেশ৷১ জানুয়ারির মধ্যে সেই সমস্ত হিসেব অমিত শাহের কাছে জমা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে৷ (আরও দেখুন : মোদীর নোট বাতিলের থাবা, দলে দলে আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের)

নোট বাতিল ইস্যুতে বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণের মুখে এবার এভাবেই জবাব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ এতে যেমন দলের ভাবমূর্তি সাফ হবে, তেমনি বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণেরও যোগ্য জবাব দেওয়া যাবে৷ এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা৷ শুধু তাই নয়, সামনেই উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন আর তারপরই লোকসভা নির্বাচিনের ঢাকে কাঠি পড়ে যাবে৷ আর তাতেই মোদীর ওই নোটের দাওয়াই বেশ ভালো কাজ করবে বলেও মনে করছেন অনেকে৷ (আরও দেখুন : প্রধানমন্ত্রীকে খুনের ছক বহুজাতিক সংস্থার ইঞ্জিনিয়রের)

৫০০ এবং ১০০০-র নোট বাতিল করার সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠছিল৷ এমনকী, বিজেপির ব্যাঙ্ক একাউন্টে কয়েক কোটি টাকা জমা পড়েছে বলেও অবিযোগে সরব হয় বামেরা৷আর এবার নেতা, মন্ত্রীদের টাকার উত্স কোথায় এবং তার পরিমাণই বা কত, সে বিষয়ে হিসেব চেয়ে বিরোধীদের মাস্টার স্ট্রোক মোদী দিলেন বলেই মনে করছেন রাজনীতির কারবারীরা৷

অর্থাত, ৫০০ এবং ১০০০-এর নোট বাতিল করে শুধু জাল টাকার কারবারী ও কালো টাকার কারবারীদের দিকেই নয়, নিজের দলের মন্ত্রী, বিধায়কদের টাকারও হিসেব চাইলেন মোদী৷