বর্তমানে বিশ্বের সব থেকে জনপ্রিয় পর্নস্টারদের অন্যতম তিনি। কিন্তু এবার প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদন নয়, অন্য কারণে খবরের শিরোনামে মিয়া খলিফা। মিয়াকে সৌদি আরবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত করে পাঠানোর দাবিতে সরব হয়েছেন সেদেশের কিছু বাসিন্দা। আপাত অসম্ভব এই দাবি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ট ট্রাম্পের কাছে পৌঁছে দিতে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভি‌যানও শুরু করেছেন তাঁরা। আর সবাইকে চমকে দিয়ে প্রায় ১০০০ জন স্বাক্ষর করেছেন প্রস্তাবের পক্ষে।

ভারতে দ্বিতীয় সব থেকে জনপ্রিয় পর্নস্টার মিয়া খলিফা। সানি লিওনির পরই তাঁর স্থান। কিন্তু মিয়া খলিফার জীবনের এই সাতটি তথ্য সম্ভভত জানা নেই আপনারও।

mia khlifa 3

১. ‘মিয়া খলিফা’‍ বলে ‌যাঁকে চেনেন তাঁর আসল নাম মোটেও মিয়া খলিফা নয়। পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে ‌যোগ দেওয়ার আগে তাঁর নাম ছিল মিয়া ক্যালিসট্রা।

২. মিয়া খলিফার জন্ম মধ্যপ্রাচ্যের লেবাননে। সাত বছর বয়সে মার্কিন ‌যুক্তরাষ্ট্রে ‌বসবাস শুরু করেন তিনি।

৩. পর্ন ইন্ড্রাস্ট্রিতে ‌যোগ দেওয়ার আগে একটি ফাস্ট ফুড রেস্তোঁরায় কাজ করতেন মিয়া। সেখানেই প্রথম পর্ন ছবির প্রস্তাব পান তিনি।

mia khalifa 2

৪. পর্ন ফিল্মে কাজ করায় পরিবারের সঙ্গে ‌যোগা‌যোগ নেই মিয়ার। তাঁর এই পেশা মেনে নিতে পারেন না তাঁর পরিবার।

৫. ২০১৫ সালে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ভিডিওর হাত ধরে প্রচারে আসেন মিয়া খলিফা।

৬. পর্ন ফিল্মে কাজ করার জন্য লেবানন ও বিভিন্ন ইসলামিক রাষ্ট্র থেকে খুনের হুমকি এসেছে মিয়া খলিফার কাছে।

৭. শরীরে লেবাননের জাতীয় সঙ্গীতের পংতি ট্যাটু করায় সেদেশে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।