কলকাতা, ১৯ মে। ঝুলি থেকে তবে বেড়াল বেরাল। দলের বিধায়ক, সাংসদ, নেতাদের নিয়ে বৈঠকে কংগ্রেসের সঙ্গে ‘সেটিং’ ফাঁস করলেন খোদ তৃণমূল নেত্রীই। তাঁর নির্দেশ, কংগ্রেসকে ছেড়ে দিন। বিজেপির বিরুদ্ধে অল আউট ‌যান।  (আরও পড়ুন- ‘ইউপিএ সরকারের জায়গায় মোদী থাকলে আমার ভাইটাও বাঁচত’, আক্ষেপ সরবজিতের দিদির)

বৈঠকে থেকে বেরিয়ে একজন তৃণমূল নেতা বলেন,”বিজেপির বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক প্রচার শুরু করুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি গুজব রটাচ্ছে। পালটা প্রতিরোধ করতে হবে। আর কংগ্রেস নিয়ে নরম মনোভাব নিয়েছেন নেত্রী। তিনি কংগ্রেসের ব্যাপারটা বুঝে নেবেন।” (আরও পড়ুন- আবারও গণতন্ত্রের হত্যা, পূজালির বিজেপি কাউন্সিলর ‌যোগ দিলেন তৃণমূলে)

দিন কয়েক আগে দিল্লিতে গিয়ে সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকে ছিলেন রাহুল গান্ধীও। এরাজ্যে বামদের সঙ্গে জোট করে কংগ্রেস বিধানসভায় লড়েছিল। কিন্তু সেসব আজ অতীত। কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের সঙ্গে মমতার সম্পর্কে উন্নতি হয়েছে তা ওই বৈঠক থেকেই স্পষ্ট। আর মমতার এদিনের বক্তব্যে এটাও পরিস্কার, আগামী লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হতে চলে তৃণমূলের। জোট না হলেও তলে তলে কংগ্রেস প্রার্থীকে জায়গা ছেড়ে দিতে পারেন মমতা। মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।  (আরও পড়ুন- নীল-সাদায় পড়ে মমতার বাংলা, মুম্বইকে সত্যিই ‘লন্ডন’ করছেন ফড়ণবীস, দেখুন ভিডিও)

রাজ্যের বামেরা নিশ্চিহ্ন। প্রধান বিরোধী শক্তি বিজেপি। আর কংগ্রেসেরও পথে বাধা নরেন্দ্র মোদীর দলই। ফলে দুই দলেরই এক শত্রু। বামেদের সঙ্গে নিলে কংগ্রেসের কোনও লাভ নেই। গোটা দেশেই বামপন্থীরা রাস্তায় বসে। ফলে তৃণমূলের হাত ধরলেই কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের লাভ। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যের নেতাদের নিয়ে কংগ্রেসের কোনওকালে মাথাব্যাথা ছিল না। দিল্লির তখ্ত দখলই সনিয়া-রাহুলের লক্ষ্য। সেজন্য বামেদের চেয়েও ‌যে মমতাই বেশি দরকারি, সেটা একরত্তি শিশুও জানে।  (আরও পড়ুন- ‘বাহার নিকালকে ঠোকুঙ্গা, তেরা অব খ্যার নেহি,’ আগে থেকে ঘোষণা করে বরকতিকে ঠেঙিয়ে গেলেন উপদেশ)