কলকাতা,১৯ জুন। দার্জিলিং জ্বলছে। এর মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রসঙ্ঘের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিন দিনের নেদারল্যান্ডস সফরে চলে গেলেন। ‌যাওয়ার আগে তিনি বার্তা দিয়ে গিয়েছেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে মিটিং-মিছিল করুন। শান্তি বজায় রাখুন। দার্জিলিংয়ে মোর্চার সমর্থকদের উপরে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। দিল্লি বিজেপির মুখপাত্র তেজিন্দর বাগ্গার বক্তব্য, দেশভক্ত গোর্খাদের উপরে গুলি চালাচ্ছে মমতার সরকার। (আরও পড়ুন- নোট বাতিলের পর ফের মোদীর মাস্টারস্ট্রোক, কালো টাকায় আর বেনামে সম্পত্তি কেনা ‌যাবে না)

দিল্লি বিজেপির মুখপাত্র তেজিন্দর সিং বাগ্গার ট্যুইট, “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কিছু বলছেন না দিদি। অথচ দেশভক্ত গোর্খাদের উপরে গুলি চালাচ্ছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ৩৯টি গোর্খা রাইফেলস ব্যাটেলিয়ন আছে।” গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার আন্দোলনে গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত পাহাড়। পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় মোর্চা সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়েছে। পোড়ানো হয়েছে গাড়ি। আগুন লাগানো হয়েছে পুলিশ ফাঁড়িতে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ২ মোর্চা সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। মোর্চা সমর্থকদের ছোঁড়া ইটে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।  (আরও পড়ুন- আশঙ্কা নয়, সত্যিই দেশকে বাঁচালেন মোদী, ডুবছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ)

দার্জিলিঙের পরিস্থিতি এখন উত্তপ্ত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং শান্তি বজায় রাখার আবেদন করেছেন। রাজ্য সরকার পুলিশের গুলি চালানোর কথা স্বীকার করেনি। কিন্তু পুলিশের গুলিতেই মোর্চার দুই সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। দার্জিলিঙের এই অবস্থার জন্য তৃণমূল সরকারকেই কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা নেতারা। তাঁদের মতে, জিটিএ-র দখল নিতে পাহাড়ে উস্কানি দিয়ে এসেছেন মমতাই।  (আরও পড়ুন- কথা রাখলেন নরেন্দ্র মোদী, সুইস ব্যাঙ্ক থেকে দেশে ফিরছে কালো টাকা)