১৬ জুলাই। বিএসএফ-এর কড়া নজরদারি সত্ত্বেও বাংলাদেশ সীমান্তে সক্রিয় গরু পাচার চক্র। সীমান্ত গিয়ে গরু ও ষাড় ওপারে পাঠানো হয়। বাংলাদেশের চামড়া শিল্প ও গোমাংসের জন্য গরু পাচার চলে। চূড়ান্ত অমানবিকভাবে গরু পাচার করা হয়। (আরও পড়ুন- গত ৭ দিনে বসিরহাটে ‘বিস্তারক ‌যোজনা’য় বিজেপিতে ‌যোগ দিলেন ১০,০০০ জন)

ভারত-বাংলাদেশ ৪,০৯৬ কিলোমিটার জুড়ে সীমান্ত রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও অসমেই বেশি অংশ রয়েছে। দুই রাজ্যের সীমান্ত দিয়েই রাতের অন্ধকারে চলে গরু পাচার। ভারতে গরুর দাম ‌যেখানে ৫ হাজার টাকা, সেখানে বাংলাদেশে ৫০ হাজার টাকায় বিকোয়। বছরে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেআইনি লেনদেন চলে।(আরও পড়ুন- বাদুড়িয়ায় পুলিশকে কীভাবে নিধিরাম করে দিয়েছিল রাজ্য সরকার? ক্ষোভ নিচুতলায়)

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনের দাবি, সীমান্ত পার করার জন্য গরু ও ষাড়ের ‌যৌনাঙ্গে লঙ্কাগুড়ো বা পেট্রোল ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, ‌যাতে তারা দৌড়য়। কখনও কখনও আবার নখ দিয়ে ‌যৌনাঙ্গে আঁচড় কেটে দেওয়া হয়। এই ভাবেই সীমান্ত দিয়ে চলে গরু পাচার। আরও একটি কৌশল নেওয়া হয়। সেটা হল বাঁশের ক্রেন দিয়ে গরু ও ষাঁড়কে নৃশংসভাবে বেঁধে ওপারে ফেলা হয়। এভাবেই ৪০-৫০টি গরু একসঙ্গে পাচার করা হয়। দেখুন ভিডিও-

সীমান্তে ‌যেখানে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে, সেখানে আবার অন্য পদ্ধতির আশ্রয় নেয় পাচারকারীরা। পেঁপের ডাঁটা নিয়ে জলের তলা দিয়ে গরু ও ষাড় পাচার করে শিশুরা। ১১৯.১ কিলোমিটার সীমান্তই জলাশয় রয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যে দুই দেশের সীমান্তে ২৮০০ কিলোমিটার পরিখা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি নাইট ভিসন ক্যামেরা ও লেজার বসানো হয়েছে। (আরও পড়ুন- নয়ডার সোসাইটিতে হামলার পর ‘বাংলাদেশি’ পরিচারিকাদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করলেন বাসিন্দারা)