১৭ জুলাই। সিন্ডিকেট তোলাবাজি রুখতে আরও কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যেকোনও অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে হবে। CMO-র আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, তোলাবাজি প্রশ্নে কাউকে রেয়াত করা যাবে না। কিন্তু নেত্রীর কথা ‌যে দলীয় কর্মীদের মধ্যে কোনও প্রভাবই ফেলছে না তার আরও একবার প্রমাণ পাওয়া গেল। তোলা না দেওয়ায় এক প্রতিবন্ধীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক  মারধরের অভি‌যোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।

প্রদ্যুৎ ট্রেনে হকারি করেন। তাঁর মা পরিচারিকার কাজ করেন। সম্প্রতি তাঁরা ঘুঁটিয়ারি শরিফের পথের শেষ গ্রামে ৩ লাখ টাকা দিয়ে ঘর সমেত একটি জমি কেনেন। কিন্তু, জমির মালিক তাঁদের দলিল না দিয়েই পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এরপর তাঁরা পুলিশের সাহায্যে জমির দলিল বের করে। কয়েকদিন আগে ঘরটি ভেঙে গেলে সেখানে ফের ঘর তৈরির কাজ শুরু করে তারা। অভিযোগ, ঘরের কাজ শুরু হলে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল নেতা তাঁদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চায়। কিন্তু, তা দিতে পারবে না বলে জানানো হলে ৩০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। কিন্তু, সেই টাকা দিতেও অস্বীকার করেন প্রদ্যুৎ।
অভিযোগ, এরপর আজ প্রদ্যুৎ বাড়ি তৈরির কাজ দেখতে গেলে মহিম নামে স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী তাঁকে গালিগালাজ করে। এরপর বিশ্ব মজুমদার, প্রসেনজিৎ মজুমদার, তনয়, মুসিদরা এসে প্রদ্যুৎকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে। বালির ভিতরে মুখ ঢুকিয়েও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ এই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। তবে আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারেননি প্রদ্যুৎ ও তাঁর মা।