কলকাতা, ২০ মে। সংখ্যালঘু তোষণের আরও একটা ন্যক্কারজনক নজির তুলে ধরছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষায় সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথক প্রবেশিকা বা এন্ট্রান্স পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে চলেছে তাঁর সরকার। (আরও পড়ুন- শাহরুখ, সলমনের ‘চোখের মণি’ পাক অভিনেতারাই ভারতের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন, দেখুন ভিডিও)

ইকনকিম টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চে প্রথম সপ্তাহেই এব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই প্রবেশিকা পরীক্ষার দায়িত্ব থাকছে Minority Academic Professional Institute-এর হাতে। WBJEE চেয়ারম্যান ভাস্কর গুপ্তর ব্যখ্যা, সুপ্রিম কোর্টে রায়ে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু বোর্ড পৃথক প্রবেশিকা পরীক্ষা নিতে পারে। (আরও পড়ুন- কুলভূষণ মামলার পাক আইনজীবী কুরেশিকে নিয়োগ করেছিল কংগ্রেস, বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস)

সংখ্যালঘু ছাত্ররা ছাড়াও অন্যরাও পরীক্ষা দিতে পারবে। তবে কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আসন খালি থাকলেই সংখ্যাগুরু ছাত্রদের সু‌যোগ দেওয়া হবে। আরও পড়ুন- ‘বাহার নিকালকে ঠোকুঙ্গা, তেরা অব খ্যার নেহি,’ আগে থেকে ঘোষণা করে বরকতিকে ঠেঙিয়ে গেলেন উপদেশ)

তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্ণাটকে সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের জন্য পৃথক ইঞ্জিনিয়ারিং জয়েন্ট এন্ট্রাস নেওয়া হয় বলে দাবি রাজ্য সরকারের। বিরোধীদের বক্তব্য, সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে তিনি ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন করছেন। এর ফলে গোটা রাজ্যেই আশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আর এভাবেই নিজের ভোটব্যাঙ্ক গোছাচ্ছে শাসক দল। (আরও পড়ুন- “আরএসএস না থাকলে পশ্চিমবঙ্গ পাকিস্তানে চলে ‌যেত”, বললেন ‌যোগি)